Scramble for Africa বা আফ্রিকার জন্য কাড়াকাড়ি বলতে বুঝায় উনবিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে সাতটি ইউরোপীয় দেশ (যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, জার্মানি, স্পেন, পর্তুগাল, ইতালি) আফ্রিকা মহাদেশের বিভিন্ন অংশে উপনিবেশ হিসেবে দখল করার তীব্র প্রতিযোগিতা। এটি ১৮৭০-এর দশকে শুরু হয়ে ১৮৮০ ও ১৮৯০-এর দশকে চরমে পৌঁছায় এবং ২০শ শতকের শুরুর দিকে শেষ হয়। এই সময় আফ্রিকার জনগণ উপনিবেশ স্থাপনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ালেও আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রের কারণে তারা পরাজিত হয়। মূলত আফ্রিকার প্রাকৃতিক সম্পদ ও কাঁচামাল দখলের জন্য ইউরোপীয় শক্তিগুলো এই কাড়াকাড়ি বা হুড়াহুড়ি শুরু করে। ১৮৮৪-১৮৮৫ সালে বার্লিন সম্মেলনের পর এই দখলের লড়াই পুরোদমে বিস্তার লাভ করে, যেখানে ইউরোপীয়শক্তিগুলো শান্তিপূর্ণভাবে আফ্রিকাকে ভাগাভাগি করার ব্যবস্থা করে। ১৯১২ সালের দিকে আফ্রিকার অধিকাংশ অঞ্চল ইউরোপীয় দেশের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়, যেখানে কিছু দেশ যেমন লাইবেরিয়া ও ইথিওপিয়া বাদে.wikipedia+2
অর্থাৎ, আফ্রিকার জন্য কাড়াকাড়ি বলতে আফ্রিকা মহাদেশের ভাগাভাগি ও দখলের জন্য ইউরোপীয় উপনিবেশবাদের মধ্যে হওয়া প্রতিযোগিতাকে বুঝায় যা ষ্ট্রাটেজিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থপরতার ভিত্তিতে সংঘটিত হয়েছিল.qualitycando+1
- https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE_%E0%A6%A6%E0%A6%96%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%B2%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%87
- https://bangla.thedailystar.net/news/world/africa-other-countries/news-431346
- https://qualitycando.com/history_moddho_viewfinal.php?id=113
- https://www.bibortonpoth.com/10238
- https://www.studymamu.com/question/11457/
- https://www.youtube.com/watch?v=CWQtpnF0-gY
- https://qualitycando.com/history_moddho_viewfinal.php?id=112
- https://itihastwelve.blogspot.com/2018/08/blog-post_688.html
- https://bangla.thedailystar.net/tags/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B2-%E0%A6%AB%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE
- https://wbporashona.com/qa/scramble-for-africa-in-bengali/
"Scramble for Africa" বা "আফ্রিকার জন্য কাড়াকাড়ি" বলতে ১৯ শতকের শেষভাগে (১৮৮০-১৯১৪) ইউরোপীয় শক্তিগুলোর মধ্যে আফ্রিকা মহাদেশ দখল ও উপনিবেশীকরণের জন্য চরম প্রতিযোগিতা ও দ্রুত বিভাজনকে বোঝায়।
মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
সময়কাল: প্রধানত ১৮৮০-১৯১৪ সাল পর্যন্ত, যদিও কিছু ক্ষেত্রে এর আগে থেকেই শুরু হয়েছিল।
অংশগ্রহণকারী দেশসমূহ:
- ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, বেলজিয়াম, ইতালি, পর্তুগাল, স্পেন
- এছাড়াও অটোমান সাম্রাজ্যের কিছু প্রভাব ছিল
বার্লিন কনফারেন্স (১৮৮৪-১৮৮৫): এই সম্মেলনে ইউরোপীয় শক্তিগুলো আফ্রিকা বিভাজনের নিয়মকানুন নির্ধারণ করে। এখানে "কার্যকর দখল" (Effective Occupation) এর নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়।
প্রধান কারণসমূহ:
অর্থনৈতিক: কাঁচামাল সংগ্রহ, নতুন বাজার সৃষ্টি, বিনিয়োগের ক্ষেত্র রাজনৈতিক: জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি, কৌশলগত অবস্থান দখল সাংস্কৃতিক: "সভ্যতার বোঝা" বহনের দাবি, খ্রিস্টধর্ম প্রচার
পরিণতি:
- ১৯১৪ সালের মধ্যে আফ্রিকার প্রায় ৯০% অংশ ইউরোপীয় নিয়ন্ত্রণে চলে যায়
- কেবল ইথিওপিয়া ও লাইবেরিয়া স্বাধীন থাকে
- ঐতিহ্যবাহী আফ্রিকান সমাজ ব্যবস্থা ধ্বংস হয়
- কৃত্রিম সীমানা সৃষ্টি হয় যা আজও বিভিন্ন সংকটের কারণ
এই ঘটনা আধুনিক আফ্রিকার রাজনৈতিক মানচিত্র গঠনে এবং মহাদেশটির দীর্ঘমেয়াদী সমস্যাগুলোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত।
"আফ্রিকার জন্য লড়াই" বলতে ১৮৮১ থেকে ১৯১৪ সালের মধ্যে ইউরোপীয় শক্তি কর্তৃক আফ্রিকা মহাদেশের বিজয়, সংযুক্তি এবং ঔপনিবেশিক বিভাজনের দ্রুত এবং তীব্র প্রক্রিয়াকে বোঝায়।
এটি ছিল একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক সময়কাল, যা আফ্রিকা মহাদেশকে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সামাজিকভাবে সম্পূর্ণরূপে রূপান্তরিত করেছিল এবং এর প্রভাব আজও আফ্রিকান দেশগুলিতে স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান।
### মূল বিষয়গুলি নিম্নরূপ:
**১. সময়কাল:** এটি মূলত ১৮৮০-এর দশকে শুরু হয়েছিল এবং ১৯১৪ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত অব্যাহত ছিল, যদিও এর প্রস্তুতি এবং পরিণতি অনেক বিস্তৃত ছিল।
**২. অংশগ্রহণকারী:** প্রধান ইউরোপীয় শক্তিগুলি ছিল:
* ব্রিটিশ সাম্রাজ্য
* ফ্রান্স
* পর্তুগাল
* জার্মানি
* বেলজিয়াম (রাজা দ্বিতীয় লিওপোল্ড ব্যক্তিগতভাবে কঙ্গো দখল করেছিলেন)
* ইতালি
* স্পেন
**৩. কারণ:**
* **অর্থনৈতিক লোভ:** আফ্রিকার প্রাকৃতিক সম্পদের (রাবার, হীরা, সোনা, তামা, তুলা, তেল পাম ইত্যাদি) জন্য লোভ।
* **শিল্প বিপ্লবের দাবি:** ইউরোপীয় শিল্পগুলির কাঁচামাল এবং উৎপাদিত পণ্যের জন্য নতুন বাজারের প্রয়োজন ছিল।
* * **কৌশলগত এবং রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা:** ইউরোপীয় দেশগুলি তাদের সাম্রাজ্য সম্প্রসারণ এবং একে অপরের চেয়ে আরও শক্তিশালী হওয়ার জন্য প্রতিযোগিতা করেছিল (যেমন, ব্রিটেন "কেপ টু কায়রো" রেলওয়ে চেয়েছিল, ফ্রান্স পশ্চিম আফ্রিকার উপর আধিপত্য চেয়েছিল)।
* **জাতীয়তাবাদ:** একটি বৃহৎ সাম্রাজ্য ছিল জাতীয় মর্যাদা এবং ক্ষমতার প্রতীক।
* **"শ্বেতাঙ্গ মানুষের বোঝা":** একটি জাতিগতভাবে উচ্চতর ধারণা যে আফ্রিকানদের "সভ্য" এবং খ্রিস্টধর্মীকরণ করা ইউরোপীয়দের দায়িত্ব।
**৪. বার্লিন সম্মেলন (১৮৮৪-৮৫):**
জার্মান চ্যান্সেলর অটো ভন বিসমার্ক এই সংঘাতকে নিয়ন্ত্রণ এবং প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের জন্য বার্লিনে একটি সম্মেলন আহ্বান করেছিলেন। এখানে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল:
* যদি কোনও ইউরোপীয় শক্তি একটি উপকূলীয় অঞ্চল দখল করে, তবে এটি অভ্যন্তরীণ অঞ্চলের অধিকারও দাবি করতে পারে ("কার্যকর দখল" নীতি)।
* কঙ্গো অববাহিকা বেলজিয়ামের রাজা দ্বিতীয় লিওপোল্ডের (কঙ্গো মুক্ত রাষ্ট্র) ব্যক্তিগত সম্পত্তি হিসেবে স্বীকৃত ছিল, যা পরবর্তীতে মানবতার বিরুদ্ধে ভয়াবহ নৃশংসতার দৃশ্যপটে পরিণত হয়।
* আফ্রিকা বিভক্ত করার জন্য কিছু সাধারণ নিয়ম প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যাতে ইউরোপীয় শক্তিগুলির মধ্যে সরাসরি সংঘাত না ঘটে।
**৫. ফলাফল এবং প্রভাব:**
* **মহাদেশের সম্পূর্ণ বিভাজন:** ১৮৮০ সালে, আফ্রিকার মাত্র ১০% ইউরোপীয় নিয়ন্ত্রণে ছিল। ১৯১৪ সালের মধ্যে, **শুধুমাত্র ইথিওপিয়া (আবিসিনিয়া) এবং লাইবেরিয়া** স্বাধীন ছিল। বাকি মহাদেশ ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শক্তিগুলির মধ্যে বিভক্ত ছিল।
* **কৃত্রিম সীমানা:** ঔপনিবেশিক শক্তিগুলি তাদের সুবিধা অনুসারে সীমানা তৈরি করেছিল, যা বিভিন্ন জাতিগত গোষ্ঠী এবং সংস্কৃতির মানুষকে একত্রিত রেখেছিল বা তাদের বিভক্ত করেছিল। এটি আফ্রিকার অনেক আধুনিক দেশের সীমানা এবং ঔপনিবেশিক-উত্তর সময়ে অনেক গৃহযুদ্ধ এবং জাতিগত সংঘাতের মূল কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
* **শোষণ এবং অর্থনৈতিক ক্ষতি:** ঔপনিবেশিক অর্থনীতি ইউরোপের সুবিধার জন্য নির্মিত হয়েছিল। আফ্রিকানদের তাদের জমি ও সম্পদ থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল এবং তাদের জোরপূর্বক শ্রমের শিকার করা হয়েছিল।
* **সাংস্কৃতিক ও সামাজিক প্রভাব:** ঐতিহ্যবাহী আফ্রিকান সংস্কৃতি, প্রতিষ্ঠা এবং জীবনযাত্রা ধ্বংস বা দুর্বল করা হয়েছিল।
* **আফ্রিকান প্রতিরোধ:** অনেক জায়গায়, আফ্রিকান জনগণ ইউরোপীয় উপনিবেশের বিরুদ্ধে সশস্ত্র এবং নিরস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল (যেমন, মাতাবেলে এবং মাশোনাল্যান্ড পূর্ব প্রতিরোধ, জুলু যুদ্ধ, মাউ মাউ বিদ্রোহ ইত্যাদি), যদিও উন্নত অস্ত্রের মুখে তারা প্রায়শই পরাজিত হয়েছিল।
**সংক্ষেপে,** আফ্রিকার জন্য লড়াই ছিল ইউরোপীয় সাম্রাজ্যবাদী উচ্চাকাঙ্ক্ষা, অর্থনৈতিক লোভ এবং জাতিগত অহংকারের এক ভয়াবহ প্রকাশ, যা আফ্রিকা এবং এর জনগণের উপর গভীর এবং দীর্ঘস্থায়ী নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল।
Scramble for Africa বা বাংলায় “আফ্রিকার জন্য কাড়াকাড়ি” বলতে বোঝায় উনিশ শতকের শেষভাগে (প্রায় ১৮৮০ থেকে ১৯১৪ সাল পর্যন্ত) ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শক্তিগুলোর মধ্যে আফ্রিকা মহাদেশের ভূখণ্ড দখল ও বিভাজনের প্রতিযোগিতাকে।
বিষয়টি বোঝাতে কিছু মূল পয়েন্ট:
-
পটভূমি:
-
শিল্পবিপ্লবের পর ইউরোপীয় দেশগুলো নতুন কাঁচামাল, খনিজ সম্পদ ও বাজারের খোঁজে ছিল।
-
আফ্রিকা ছিল সম্পদে ভরপুর (স্বর্ণ, হীরক, তামা, হাতির দাঁত, রাবার ইত্যাদি)।
-
ইউরোপীয় শক্তিগুলো এই সম্পদ দখলের জন্য তীব্র প্রতিযোগিতায় নেমে পড়ে।
-
-
বার্লিন সম্মেলন (১৮৮৪–৮৫):
-
জার্মান চ্যান্সেলর অট্টো ভন বিসমার্ক এর উদ্যোগে বার্লিনে বৈঠক হয়।
-
আফ্রিকার মানচিত্রে রেখা টেনে বিভিন্ন ইউরোপীয় শক্তির মধ্যে ভূখণ্ড ভাগ করে দেওয়া হয়।
-
আফ্রিকার জনগণের মতামত বা অংশগ্রহণ সম্পূর্ণ উপেক্ষা করা হয়।
-
-
মূল অংশগ্রহণকারী দেশগুলো:
-
ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, বেলজিয়াম, পর্তুগাল, ইতালি ও স্পেন।
-
-
পরিণাম:
-
আফ্রিকার প্রায় পুরো মহাদেশই ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে চলে যায়।
-
শুধু দুটি দেশ (ইথিওপিয়া ও লাইবেরিয়া) স্বাধীন থাকতে পেরেছিল।
-
আফ্রিকার কৃত্রিম সীমান্ত তৈরি হয়, যা ভবিষ্যতে বহু সংঘাত ও গৃহযুদ্ধের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
-
আফ্রিকার সম্পদ শোষিত হয় এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।
-
👉 সংক্ষেপে, Scramble for Africa মানে হলো ইউরোপীয় উপনিবেশবাদী শক্তিগুলোর মধ্যে আফ্রিকা দখলের হুড়োহুড়ি।
'আফ্রিকার জন্য কাড়াকাড়ি' (Scramble for Africa) বলতে ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে এবং বিংশ শতাব্দীর শুরুতে ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শক্তিগুলোর দ্বারা আফ্রিকান ভূখণ্ডের দ্রুত বিভাজন, দখল এবং উপনিবেশ স্থাপনের প্রক্রিয়াকে বোঝানো হয়।
এই সময়কালে, মাত্র কয়েক দশকের মধ্যে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ, যেমন—গ্রেট ব্রিটেন, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, জার্মানি, পর্তুগাল, স্পেন এবং ইতালির মতো দেশগুলো রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সামরিক শক্তি ব্যবহার করে প্রায় সমগ্র আফ্রিকা মহাদেশকে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয়।
এই কাড়াকাড়ির পেছনে বেশ কিছু কারণ ছিল। নিচে প্রধান কারণগুলো উল্লেখ করা হলো:
অর্থনৈতিক উদ্দেশ্য: শিল্প বিপ্লবের কারণে ইউরোপীয় দেশগুলোর নতুন বাজার এবং কাঁচামালের (যেমন—রবার, তুলা, খনিজ পদার্থ) প্রয়োজন ছিল। আফ্রিকা এই চাহিদা পূরণের এক বিশাল উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়।
রাজনৈতিক ও কৌশলগত কারণ: ইউরোপীয় শক্তিগুলো নিজেদের মধ্যে প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতায় লিপ্ত ছিল। একটি দেশ যত বেশি উপনিবেশ দখল করতে পারত, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে তার সম্মান এবং প্রভাব তত বেশি বলে মনে করা হতো। সুয়েজ খালের মতো গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথগুলো নিয়ন্ত্রণ করাও এর একটি অংশ ছিল।
ধর্মীয় ও মানবিক কারণ: অনেক ইউরোপীয় মিশনারি এবং অভিযাত্রী আফ্রিকায় গিয়ে খ্রিস্টধর্ম প্রচার করতে এবং দাসপ্রথা বন্ধ করতে চেয়েছিল, যা তারা সভ্যতার প্রসারের একটি অংশ হিসেবে দেখত।
প্রযুক্তিগত অগ্রগতি: উন্নত সামরিক প্রযুক্তি (যেমন—মেশিন গান), কুইনাইন (ম্যালেরিয়া প্রতিরোধের ওষুধ) এবং উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা (যেমন—টেলিগ্রাফ) ইউরোপীয়দের পক্ষে আফ্রিকার দুর্গম অঞ্চলগুলোতে প্রবেশ এবং নিয়ন্ত্রণ সহজ করে তোলে।
এই প্রক্রিয়ার সবচেয়ে বড় প্রতীক ছিল ১৮৮৪-৮৫ সালের বার্লিন সম্মেলন, যেখানে ইউরোপীয় দেশগুলো কোনো আফ্রিকান প্রতিনিধির উপস্থিতি ছাড়াই মহাদেশটিকে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার নিয়মকানুন নির্ধারণ করে।
'আফ্রিকার জন্য কাড়াকাড়ি'র ফলস্বরূপ আফ্রিকায় ঔপনিবেশিক শাসনের সূচনা হয়, যার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব আজও দৃশ্যমান। এর ফলে আফ্রিকান সমাজের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক কাঠামো ভেঙে যায়, নতুন করে কৃত্রিম সীমানা তৈরি হয় এবং এই মহাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যাপক হারে শোষিত হয়।
No comments:
Post a Comment